ভারত পরীক্ষা-নিরীক্ষার একটা সুযোগ পেয়ে গেল। হল্যান্ডই হয়তো ‘বি’ গ্রুপের সবচেয়ে দুর্বল দল। অতিথি দলটি ভারতের স্পিনেই হয়তো ভেঙেচুরে পড়বে। দলটির বোলাররা প্রতিপক্ষ দলগুলোকে ৩০০-এর নিচে আটকাতে সংগ্রাম করেছে। স্বাগতিকদের জন্য এটা ঘর গুছিয়ে নেওয়ার একটা বড় সুযোগ।
ভারত প্রথমেই যেটা করতে পারে, তা হচ্ছে বেঞ্চের শক্তি যেচে নেওয়া। যদি ফিট থাকে, তাহলে আশিস নেহরা আর অশ্বিনের ব্যাপারে চিন্তা করতে পারে ভারত। এই দুটি ছেলে তিন সপ্তাহ ধরে দলের সঙ্গে শুধু ঘুরছেই। এবার তাদের নামিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এখন থেকে তো প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েই চলবে।
ব্যাটিং লাইনআপে সামান্য নমনীয়তাও এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে। ইউসুফ পাঠানকে একটু অন্যভাবে ব্যবহার করেও সেটা হতে পারে। যুবরাজ সিং ঠিক সময়ে জেগে উঠেছে, তাকে বিশ্রাম দেওয়া যাবে না। গৌতম গম্ভীর ও বিরাট কোহলি একটু বেশি সময় উইকেটে থাকলে অনেক ভালো হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এই দুজনের একটা লম্বা জুটি হবে দারুণ।
এই ম্যাচ হরভজন সিংকে একটু বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ। একটু বিশ্রাম নিয়ে পাদপ্রদীপের বাইরেও থাকতে পারে সে। নেহরা যদি ফিট থাকে, তাহলে তাকে দলে নেওয়া যায় এবং মাঝে কিছু বোলিং সে করতে পারে। স্লগ ওভারে ভারত তার অভিজ্ঞতা মিস করছে। অশ্বিনকেও বোঝাতে হবে যে তাকে দরকার।
এটা ঠিক, হল্যান্ড তাদের সাধ্যাতীত পারফর্ম করতে পারে। কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের জয় অবশ্যই তাদের প্রেরণা জোগাবে। সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে তারাও সমীহ করার মতো দল। তারা বিশ্বমঞ্চে ভারত বা দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে খুব একটা খেলে না। এই ম্যাচটা তাদের জন্য সেরা ম্যাচ। শৌখিন ক্রিকেটারদের এই দলটি ভারতের মতো পেশাদার একটি দলের বিপক্ষে ভালো কিছু করতে পারবে কি না এবং সমীহ জাগানিয়া দল হিসেবে এগিয়ে যাবে কি না, সেটা এই ম্যাচ শেষেই জানা যাবে!
তারিখঃ বুধবার, ৯ মার্চ ২০১১,
0 আপনার মতামত:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এমন কোন মন্তব্য করবেন না যা রাজনীতিক বা সামাজিক ভাবে বিতর্কের সৃষ্টি করে।